জাতীয় সর্বশেষ সারাদেশ

টাকা দিলেই মিলছে যে কারও কললিস্ট, লোকেশন ও এনআইডির তথ্য

আপনি কাকে ফোন করেছেন, কখন ফোন করেছেন, কতক্ষণ কথা বলেছেন—এমনকি নির্দিষ্ট সময়ে আপনার মোবাইল ফোনের অবস্থান কোথায় ছিল, এসব সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্যও এখন অর্থের বিনিময়ে সংগ্রহ করা সম্ভব বলে উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানে।

তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মাত্র ১ হাজার টাকা পরিশোধ করলেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তির সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, টেলিগ্রাম চ্যানেল ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রকাশ্যেই চলছে এসব তথ্যের কেনাবেচা। লেনদেনে ব্যবহার করা হচ্ছে বিকাশ, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবা।

ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ১০টি সক্রিয় ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে ৬০০টির বেশি পোস্টের সন্ধান পাওয়া গেছে।

যেসব তথ্য বিক্রি হচ্ছে

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শুধু কললিস্ট নয়—এনআইডি, মোবাইল লোকেশন, বিভিন্ন সরকারি নথি এবং আর্থিক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য বিক্রির বিজ্ঞাপনও রয়েছে এসব প্ল্যাটফর্মে।

বিক্রি করা তথ্যের মধ্যে রয়েছে—

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি): ভোটার নম্বর, ছবি, জন্মতারিখ, মা-বাবার নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন তথ্য।
  • কল রেকর্ড: কার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, কখন কল করা হয়েছে বা এসেছে, কতক্ষণ কথা হয়েছে এবং কোন আইএমইআই নম্বরের হ্যান্ডসেটে সিমটি ব্যবহার করা হয়েছে।
  • লোকেশন তথ্য: নির্দিষ্ট সময়ে কোনো ব্যক্তি কোন মোবাইল টাওয়ারের আওতায় ছিলেন এবং সেই এলাকার গুগল ম্যাপের অবস্থান।
  • অন্যান্য নথি: পাসপোর্ট, নির্দিষ্ট নম্বরে পাঠানো এসএমএসের তালিকা, টিআইএন সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাবের তথ্য।

বিক্রেতাদের দাবি, ক্রেতাকে শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মোবাইল নম্বর বা এনআইডি নম্বর দিতে হয়। এরপর বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সরবরাহ করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি নথি বা সার্ভার থেকে পাওয়া তথ্যের মতো করেও এসব তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যের দাম কত?

ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে বিভিন্ন ধরনের তথ্যের জন্য আলাদা মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি উঠে এসেছে।

  • এনআইডি পিডিএফ বা ‘সাইন কপি’: ১৫০–২৫০ টাকা
  • দ্রুত এনআইডি পিডিএফ: ৫০০ টাকা
  • তিন মাসের কল রেকর্ড: ৮০০–১,০৫০ টাকা
  • বিকাশ হিসাবধারীর এনআইডি ও স্টেটমেন্ট: ১,০০০–৪,৫০০ টাকা
  • মোবাইল লোকেশন: অর্থ পরিশোধের প্রায় ১৬ মিনিটের মধ্যে সরবরাহের দাবি।

কল রেকর্ড হাতে পেলে একজন ব্যক্তি কাকে কখন ফোন করেছেন, কতক্ষণ কথা বলেছেন এবং কলটি করেছেন নাকি পেয়েছেন—এসব তথ্য জানা সম্ভব। এমনকি ওই সময় ফোনটি কোন ধরনের নেটওয়ার্কে ছিল, সেটিও জানা যেতে পারে।

কলের তথ্যের সঙ্গে মোবাইলের আইএমইআই ও সিমের আইএমএসআই নম্বর থাকলে একটি নির্দিষ্ট সিম কোন ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

এ ছাড়া কল বা এসএমএসের সময় সংশ্লিষ্ট নম্বরটি কোন মোবাইল টাওয়ারের আওতায় ছিল, সেই তথ্যও পাওয়া যেতে পারে। দীর্ঘ সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করলে একজন ব্যক্তির চলাফেরার একটি সম্ভাব্য চিত্রও তৈরি করা সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক-টেলিগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপে চলছে বেচাকেনা

ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, ফেসবুক, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন গ্রুপ ও পোস্ট বিশ্লেষণ করে তথ্য বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত ১০টি সক্রিয় ওয়েবসাইটের সন্ধান পাওয়া গেছে। শুধু এক মাসেই ফেসবুকে ৬০০টির বেশি তথ্য বিক্রির পোস্ট পাওয়া যায়।

ওয়েবসাইটগুলোতে নিবন্ধনের পর দেখা যায়, প্রায় সবগুলোর কাঠামো ও কার্যক্রমের ধরন একই। সেখানে এনআইডি, জন্মনিবন্ধন, টিআইএন, কল রেকর্ড এবং মোবাইল লোকেশনের মতো তথ্যের মূল্য তালিকা দেওয়া রয়েছে।

অনুসন্ধানে অন্তত একটি ওয়েবসাইট ২০২৫ সালে নিবন্ধিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। চাঁদপুরের একটি ওয়েবসাইটের মালিককেও শনাক্ত করেছে ডিসমিসল্যাব। ওই ব্যক্তি মোবাইল ফোন মেরামতের কাজ করেন।

একটি গ্রামীণফোন নম্বরের অবস্থান জানতে চেয়ে অর্থ পরিশোধের মাত্র ১৬ মিনিটের মধ্যে ফলাফল পাওয়ার দাবি করেছে অনুসন্ধানী দল। ওয়েবসাইট থেকে নম্বরটি সর্বশেষ কখন সক্রিয় ছিল, মোবাইল টাওয়ারভিত্তিক অবস্থান, একটি ঠিকানা এবং গুগল ম্যাপের লিংকও দেওয়া হয়।

মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে চলছে ব্যবসা

ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তথ্যের বাজারের নিচের স্তরের বিক্রেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতা সংগ্রহ করেন। এরপর ক্রেতার কাছ থেকে অর্থ নিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য কিনে আবার বেশি দামে বিক্রি করেন।

বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়ের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে এসব লেনদেন করা হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

চাঁদপুরের ওই ওয়েবসাইট মালিক জানান, তিনি ৮০০ টাকায় মোবাইল গ্রাহকের কলের তালিকা কিনে ৯০০ টাকায় বিক্রি করেন। তার দাবি, ১ হাজার টাকার বিনিময়ে কোনো বিকাশ হিসাব খোলার সময় ব্যবহৃত এনআইডির তথ্য এবং ৪ হাজার ৫০০ টাকায় ওই হিসাবের স্টেটমেন্ট দেওয়া সম্ভব।

তথ্য সংগ্রহের উৎস সম্পর্কে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি অন্য একটি গ্রুপের কাছ থেকে এসব তথ্য পান। সেই গ্রুপ সরকারি একটি সার্ভারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাশ কাটিয়ে এপিআই ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে বলে তার দাবি।

তবে এসব দাবির স্বাধীন সত্যতা যাচাই করতে পারেনি ডিসমিসল্যাব। একই সঙ্গে ওই বিক্রেতা যাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার কথা বলেছেন, তাদের পরিচয়ও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

সরকারি ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ডিসমিসল্যাব বিষয়টি নিয়ে দুটি মোবাইল অপারেটর ও একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবিরের মতে, কোনো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভেতরের সহযোগিতা ছাড়া রিয়েল-টাইম তথ্য সরবরাহ করা কঠিন। আরেকটি সম্ভাবনা হলো, কেউ প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থার নিরাপত্তা ভেঙে সেখানে প্রবেশ করেছে।

তার মতে, দুই ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায় রয়েছে।

একটি মোবাইল অপারেটর জানিয়েছে, তথ্য বিক্রির বিষয়টি তারা আগেই প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। কিন্তু এরপরও বাজারটি বন্ধ হয়নি।

তিন বছর ধরে চলছে প্রকাশ্য বেচাকেনা

ডিসমিসল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত অন্তত তিন বছর ধরে অনলাইনে এ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকেই তারা এমন বিজ্ঞাপন ও পোস্টের সন্ধান পাচ্ছে। এমনকি ২০২৫ সালের মার্চে ইউটিউবে প্রকাশিত একটি ভিডিওতেও একই ধরনের তথ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন পাওয়া যায়।

মোবাইল অপারেটরদের কাছে গ্রাহকের কল রেকর্ড ও অবস্থানসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য থাকে।

গ্রামীণফোন লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছে, গ্রাহকের তথ্যের নিরাপত্তাকে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। আইন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনেই অনুমোদিত ব্যক্তিদের কাছে এসব তথ্য সরবরাহ করা হয়।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মোবাইল অপারেটরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিটিআরসি, জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), পুলিশ সদর দপ্তরসহ ১০টির বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার অপারেটরদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার রয়েছে।

এই প্রবেশাধিকার ব্যবহার করে গ্রাহকের কল রেকর্ড ও সিম নিবন্ধনের সময় দেওয়া তথ্য দেখা বা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, তথ্য ফাঁসের উৎস শনাক্ত করতে অপারেটর নিজস্বভাবে তদন্ত করেছিল। এতে একটি সরকারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার এপিআই ব্যবহার করে কিছু তথ্য বাইরে যাওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ওই সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিটিআরসিকেও একাধিকবার বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আগেও সতর্ক করেছিল এনটিএমসি

২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এনটিএমসি বিষয়টি পর্যালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। সেখানে বলা হয়, ৭৮৯টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপে মানুষের এনআইডি ও কল রেকর্ড বিক্রি হচ্ছে।

তদন্তে পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটের একজন পুলিশ সুপার এবং র‌্যাব-৬-এর একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের লগইন তথ্য ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এসব তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি উঠে আসে।

এ ছাড়া সাইবার অপরাধ শাখার এক কনস্টেবল অর্থের বিনিময়ে সংবেদনশীল কল রেকর্ড বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথাও স্বীকার করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হলে কী ঝুঁকি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এনআইডি, কল রেকর্ড কিংবা কারও অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস হলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আর্থিক—দুই ধরনের ঝুঁকিই তৈরি হতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, এনআইডি বাংলাদেশে পরিচয় যাচাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কারও এনআইডির পূর্ণাঙ্গ তথ্য অন্যের হাতে গেলে তার পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, প্রতারণা কিংবা জাল পরিচয় তৈরির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এমনকি ওই ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিক বা অবৈধ লেনদেন চালিয়ে তাকে আইনি ও সামাজিক ঝুঁকিতেও ফেলা সম্ভব।

অন্যদিকে, কারও দীর্ঘ সময়ের কল রেকর্ড ও অবস্থানের তথ্য হাতে গেলে তার চলাফেরা, যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। এর মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল বা অন্য ধরনের ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

আইনে কী বলা হয়েছে?

বাংলাদেশের ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন-২০২৬ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা ব্যক্তিগত তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা যাবে না।

কোনো ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘিত হলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। তথ্যের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করলে প্রশাসনিক জরিমানার বিধানও রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ জরিমানার পরিমাণ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মেলেনি

ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগ, এনটিএমসি ও জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিসমিসল্যাব।

নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মোমিন সরকার জানান, এ বিষয়ে বক্তব্য পেতে কমিশনে লিখিত আবেদন করতে হবে।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন শাখার মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশাকে পাঠানো প্রশ্নের কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। একইভাবে এনটিএমসির অতিরিক্ত পরিচালকের কাছে সাক্ষাৎকারের অনুরোধ জানিয়ে ই-মেইল পাঠানো হলেও কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার মহাপরিচালক মো. তাইবুর রহমানের কাছেও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন পাঠানো হয়েছিল। তিনিও কোনো উত্তর দেননি বলে জানিয়েছে ডিসমিসল্যাব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *