জাতীয় সর্বশেষ

মালয়েশিয়ায় বন্দি ২ হাজার বাংলাদেশিকে মুক্ত করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন কারণে আটকে থাকা দুই হাজারেরও বেশি বাংলাদেশির সমস্যা সমাধানে দেশটির সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর লক্ষ্যে দেশের কারিগরি ও টেকনিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী এক বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য মৌলিক আরবি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে স্কুল পর্যায়ে ইংরেজিসহ পাঁচটি ভাষা শিক্ষা এবং খেলাধুলাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় আগামী মাস থেকে সাময়িকভাবে এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে সময় লাগলেও সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর লক্ষ্যে দেশের কারিগরি ও টেকনিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী এক বছরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য মৌলিক আরবি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে স্কুল পর্যায়ে ইংরেজিসহ পাঁচটি ভাষা শিক্ষা এবং খেলাধুলাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এক হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ হয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় আগামী মাস থেকে সাময়িকভাবে এ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে সময় লাগলেও সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রবাসীদের কল্যাণে আইনের সীমার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের সামনে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে, আর সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

এ সময় তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে দায়িত্ববোধ থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসীদের কল্যাণে আইনের সীমার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের সামনে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে, আর সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন ধৈর্য, অধ্যবসায় এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

এ সময় তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রতিশোধের পরিবর্তে দায়িত্ববোধ থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রোববার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন এবং স্থানীয় সময় রাতে কুয়ালালামপুরে পৌঁছান। সফরকালে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকসহ একাধিক সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন। এরপর তার চীন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *