সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তদন্তে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। এ কারণে পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়। ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি এবং অধিদপ্তরের সিড ফাইন্যান্সিং পরিচালক কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিবকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।
এদিকে, শনিবার বেলা ১১টায় সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৪৫ মিনিট আগে তা স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রার্থীরা।
রাজধানীর শাহবাগ মোড়, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মতিঝিলের বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কলোনি উচ্চবিদ্যালয়, বালক উচ্চবিদ্যালয় ও বাংলা কলেজ কেন্দ্রসহ আশপাশের এলাকায় চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। এসব এলাকার পাশাপাশি নীলক্ষেত মোড়েও সড়ক আটকে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় তাঁরা হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে ঢাকায় এসেও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি।
চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, এ ঘটনার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

